আত্মদহন গল্প

একটি অসমাপ্ত আত্মদহন

খুব দ্রুত হাঁটছিলাম। ভার্সিটি থেকে বের হয়ে; টিএসসি থেকে নীলক্ষেতের দিকে। কাঁটাবনের মাথায় এসে রাস্তা ক্রস করবো, শুনতে পেলাম নারীকণ্ঠে কেউ একজন আমার নাম ধরে ডাকছে। প্রথমটায় একটু ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলাম। ইট-কাঠ-পাথরের এই ঢাকা শহরে এরকম কেউ আমায় ডাকে না। একজনই শুধু ডাকতো- তিথি। সেটা সাত বছর আগে শেষবার হয়েছিলো।.

সমীকরণ [সমীকরনের ফলাফল ‘শূন্য’ হলে বুঝতে হবে স্রষ্টা আছে। আর যদি ‘এক’ হয় তাহলে স্রষ্টা নেই।]

প্রফেসর রফিকুজ্জামান অংকে পিএইচডি করে ডক্টর হয়েছেন। তিনি প্রতিটা কাজের ফলাফল অংক কষে বের করে ফেলেন। সে এক এলাহী কাণ্ড! যে কাউকে দেখে তিনি অংক কষে বলতে পারেন এ ব্যক্তি আজ দিনে কী কী কাজ করেছে, দিনের বাকী সময় কী করবে, কী করা উচিত সঅব! তিনি ঘোর নাস্তিক। ইদানিং তিনি.

যৌবনবতী ক্ষেতের যৌন কেচ্ছা এবং কবি ও বালিকাদ্বয়…

সে ও জমিন অধ্যায় – আমি তাকে চুমু খেয়েছিলাম। : এটা ঠিক ছিলো না। – আমি তাকে বুক স্পর্শ করতে দিয়েছিলাম। : ভালো হয়েছিলো কি ব্যাপারটা? – আমি তাকে আবাদ করতে দিয়েছিলাম আমার সোনালী জমিনে। : এতোটা জানতাম না। – কিন্তু এখনো আমি শুকিয়ে যাইনি। আমার রস অটুট আছে। যে.

শুয়োপোকা, প্রজাপতি এবং আমিগুলো

“স্যার আমি লুবনা, গ্রামীণফোন কাস্টমার কেয়ার থেকে বলছি। আপনি কি আমাদের হেল্প সেন্টারে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন?” মোবাইল ফোনটা রিসিভ করে কানে লাগাতেই উপরের কথাগুলো ভেসে আসে আমার কানে। আচমকা আমি থমকে যাই। কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলি। মূলত এই কারণে নয় যে, গ্রামীণফোন থেকে আমাকে একটি মেয়ে ফোন করেছে।.

A bangla short story by pantho bihosh

ক্রুশবিদ্ধ মহিলা যীশু

শহরের কোলাহলে প্রতিদিনই হাঁপিয়ে উঠে পলিত। পুরুষগুলো এত বিশ্রী! একটু সুযোগ পেলেই ফস করে হাত ছুঁয়ে দেয় স্তনের বোঁটায়। কিংবা কনুই ঠেকিয়ে দেয় অতি যত্ন করে ব্রার ভেতরে গুছিয়ে রাখা বস্তু দুটিতে। পায়ের তালু থেকে মাথা পর্যন্ত শির শির করে বেয়ে উঠে যায় একটা স্রোত। শীতযামের রাত্রির বাতাসের মতোই। ফার্মগেট.

Bangla Tragedy Story

একটি ব্যর্থতার গল্প

যতদূর মনে পড়ে সুমিকে কিস করতে রাজি না হওয়ার পর থেকেই ও আমাকে “সাধু” বলে ডাকে। হয়তো ব্যাপারটা ভালো। কিন্তু প্রথমবার ও যখন আমাকে এই নামে ডাকা শুরু করলো আমি আৎকে উঠেছিলাম। কেন? সেই কথাই লিখতে বসেছি আজকে। 🙂 কুট্টিকালের কথা- ৯৪/৯৫ সাল। আমাদের পাড়ার সেলিম ভাই ব্যাপক জনপ্রিয় আমাদের.

Egg Fry

ব্যাচেলর রান্নাবান্না পদ্ধতি : বিবাহিতদের জন্য নিষিদ্ধ পোস্ট

গভীর আবেগ আর সহানুভূতিপূর্ণ আজকের এই পোস্ট। অনুগ্রহপূর্বক মৃত ব্যক্তিবর্গ মানে অ-ব্যাচেলর সাহেবরা পড়বেন না। খবরদার!!! কেন এই লেখা? কারণ আমরা ব্যাচেলর। কোনো ভালো বাসা পাই না থাকার জন্য। মেসে-ময়দানে থেকে দিন-রাত উভয়-ই কাটাতে হয়। সে এক দুর্যোগপূর্ণ জীবন। যদিও আমরা সুখী… 🙂 জ্বর/সর্দি/কাশি/নাতির অসুখ/ভাল্লাগে না ইত্যাদি কাবঝাব কারণে মেসের.

স্যরি কিছু মনে কঋস না

হয় না সময়, এখনও কি পাসনা চিঠি আমার? এখনও কি গিঁট খুলে পর- রঙিন সুতো-জামার? তলোয়ার কি এখনও চাস্ স্বপ্ন রঙিন খেলায়? প্রথম স্বস্তি বিক্রি করে চাই দোয়া; তোর থামার।

Eid Anondo

স্ট্রিট চাইল্ডদের সাথে ঈদ আনন্দ

বছর ঘুরে, আবারও এলো ঈদ আনন্দ। আর আর সবার মতো আপনিও নিশ্চয় ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে প্রস্তুতি শুরু করছেন। কেনাকাটা চলছে ঈদের পোশাক আর নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনসিপত্র। কেউ কেউ আবার কিনছেন একাধিক পোশাক। একটা পড়বেন সকালে তো অন্যটা দুপুরে। দুপুরেরটা পাল্টে পড়বেন বিকেলের ড্রেসটা। আর রাতের জন্য তো কিনেছেনই।.

Pantho_Bihosh_Writing_Feature

বেড়ে ওঠে স্মৃতির চারাগাছ

অতীতকে যে ভুলে যায় সে নিজেকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। আবার যে অতীকে আকড়ে ধরে পড়ে থাকে সেও কিন্তু জীবনে তেমন একটা সাফল্যের মুখ দেখতে পারে না। ব্যাপারটা কি পারস্পরিক সাংঘর্ষিক? মোটেও নয় তা। একটা ব্যাপার হলো- আপনি জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে, অভিজ্ঞতা অর্জন করে সামনে এগুচ্ছেন না। আর.