স্যরি কিছু মনে কঋস না

হয় না সময়, এখনও কি পাসনা চিঠি আমার? এখনও কি গিঁট খুলে পর- রঙিন সুতো-জামার? তলোয়ার কি এখনও চাস্ স্বপ্ন রঙিন খেলায়? প্রথম স্বস্তি বিক্রি করে চাই দোয়া; তোর থামার।

ভবিষ্যতের পত্র

বইক্কা নিয়ে এখনও কি খেলো তুমি খেল? এখনও কি কারো বুকে বিধিঁয়ে দাও শেল্? মোহের টানে রক্ত খেয়াল নীরবতা ম্যান ছন্নছাড়া বোকা কবি হয়েছিলো ফেল্।

নরোম টিস্যু: থলথলে পিণ্ড

কথার ফাঁকে হল্লা করে আগুন পোড়া মন আগলে রাখে ছেঁড়া কাঁথায় যক্ষে ধরা ধন কাঁথার ফাঁকে নরোম টিস্যু যে জন দেখেছে ভুলে গেছে সে জন পুরুষ চিরকুমার পণ।

দোজখ বালিকা

আকাশের খোলা চিঠি ধরাতে পেয়ে অবুঝ বালিকা বৃষ্টির ধারাতে নেয়ে- বিছিয়ে বসেন তারা তায় স্বর্গের জমিন আহ! আলোর মাঝিরা নামে দোজখ বেয়ে।

দু’টি প্রলাপবিষয়ক বাংলা কবিতা

প্রলাপংশ – এক হাবিয়া ডাকছে জানি তবু নয় শির নতো অবিবেচক খোদা বলি কাফিরের মতো মানুষ আগে হতে দাও- ওগো মুসাফির ভায় স্রষ্টার মৃত্যু হায়! শোকাহত মানুষ যতো। প্রলাপংশ – দুই সোনা সোনা সোনা; এ সোনা নয় সোনা একদা বালিকা হারায় আপন; মোনা-? কাঁদি কাঁদি কাঁদি; এ কাঁদা নয় কাঁদা.

দর্পনসু

অভিজ্ঞতার শূন্য ঘরে বিক্রি করে মন ষোলকলা পূর্ণ করেন বিদায়বেলায় পণ- বৈশাখী পণ খেয়াল শূন্য মন মেতেছে যার হারিয়ে হাসেন বোকা শে; না ফেরানো ধন।

চারটি বাংলা রুবাইয়া

শ্যাওলাপাতার জল কুমারী উৎসবে জেগে হয় মেলা বুড়োমেঘ পানি হয় আচানক খেলা হাইমেন ছিঁড়ে যায় জানি না কিছু তোর রূপ পতিতা ভেসে যায় ভেলা। প্রশান্তি: দীর্ঘ আলো শুভ্রতা-প্রশান্তি-আলোর জীবন বহে তার মাঝে ছিন্নতা ইমরুল কহে উনায়জা বহমান সদা জাগ্রত ফ্রয়েড লিখে গেছে আপামর সহে। ক্রমাগত আশা মন মেতেছে আগুন খেলায়.

নৈশপ্রেম ইকুয়েল ইজ নাথিং

কবিতারা খেয়াল খুশি হাঁটেন আপন মনে নাব্য নদী যায় না রাখা সস্তা প্রহসনে হচ্ছে না প্রেম বিক্রিতে তাই লাগাম টানো জোরে নদী-মেয়ে ঝলসানো ভয় ভঙ্গ দিলো রণে।

নিশির্শন

বন্যমেলা রাতপ্রহরী কথা আঁকো রেখা দোজাহানের বেশ্যা কবি তোমার কাছে শেখা ক্লাস্টেরেতে শান্তি ভরা; রোদন ভরা মায়ায় দুঃখগুলো হয় পতিতা কবির কাছে লেখা।